মোঃ মেহেদী হাসান।
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে গৌরনদী উপজেলার ইল্লা বাসস্ট্যান্ড হাইওয়ে বরিশাল গেট চাইনিজ এন্ড বাংলা রেস্টুরেন্টে খাবারের চড়া দাম নেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দূরপাল্লার যাত্রীরা। বিশেষ করে বাস কোম্পানির সঙ্গে সমন্বয় করে নির্দিষ্ট রেস্টুরেন্টে যাত্রীদের বিরতি দেওয়ার পর সেখানে তুলনামূলক বেশি দামে খাবার বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট ২০২৬) ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার ইল্লা বাস স্ট্যান্ড হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে খাবারের মূল্য নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা যায়। সেখানে এক প্লেট চিকেন খিচুড়ির দাম ২৫০ টাকা, এক পিস প্লেন কেক ৩০ টাকা, এক পিস স্যান্ডউইচ ১০০ টাকা এবং একটি বেনসন সিগারেট ৩০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন কয়েকজন যাত্রী।
যাত্রীদের অভিযোগ, শহরাঞ্চলের অনেক রেস্টুরেন্টের তুলনায় মহাসড়কের এসব রেস্টুরেন্টে খাবারের দাম অনেক বেশি। দীর্ঘ পথ ভ্রমণের সময় ক্ষুধার কারণে অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে এসব রেস্টুরেন্টে খাবার খান। ফলে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় অতিরিক্ত দাম হলেও খাবার কিনতে হয় তাদের।
তাদের দাবি, মহাসড়কের রেস্টুরেন্টগুলোতে প্রতিটি খাবারের মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে টাঙানো এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে গৌরনদী মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম নয়ন বলেন, যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া হচ্ছে কি না এবং খাবারের মূল্য তালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন করা হচ্ছে কি না—সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় নজরদারি ও ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি বলেও তিনি জানান।
অভিযোগ অস্বীকার হোটেল ম্যানেজারের
অভিযোগের বিষয়ে হোটেলের ম্যানেজার মোহাম্মদ বেলাল হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, হোটেলে খাবারের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বা অন্যায়ভাবে দাম নেওয়া হচ্ছে না। যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সঠিক নয় বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে বাসযাত্রী মোঃ জাকির মিয়া, ও দেলোয়ার হোসেন দাবি করেন মহাসড়কের রেস্টুরেন্টগুলোতে খাবারের দাম ও মান নিয়মিত তদারকি করা হলে অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার অভিযোগ অনেকটাই কমে আসবে। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন