জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানান হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় হামলা করা হচ্ছে। ভোলায় জনসভায় অংশগ্রহন করতে আসা লোকজনের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এইগুলোকে খুব বেশি ভয় পাওয়ার কারন নেই। বিএনপি কোন সংগঠিত রাজনৈতিক দল নয়, তাদের কোন চেইন অফ কমান্ড নেই, তাদের নেতার কথাই কর্মীরা শুনেনা। তাদেরকে আপনারা কেন ভয় পান, আমিতো তাদের গোনায় ধরিনা।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী হাফেজ কামরুল ইসলাম খানের সমর্থনে গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বাজারে এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
জকসু ভিপি আরও বলেন- যখন তাদের নেতা দেশে আসল তখন ভেবেছিলাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু একটা করবে কিন্তু তারা কিছুই করতে পারে নাই, আমরা বিজয়ী হয়েছি। বিগত দিনে তাদের সাথে আমরা একসাথে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। কিন্তু যেখানে বিপদ ছিলো, সেখানে তাদেরকে আমরা খুঁজে পাইনি। দিন শেষে এরা প্রচুর হামকি-ধামকি দিবে কিন্তু প্রচন্ড ভীতু। তাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমরা বরিশালে তাদের একটি আসনও দিতে চাই না।
ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন-আপনারা সকালে কেন্দ্রে যাবেন ভোট দিয়ে তারপর কেন্দ্রের আশে পাশে থাকবেন। কেউ কেন্দ্র দখল করতে আসলে, গুন্ডামী, ডাকাতি করতে আসলে সাইজ করে দিবেন। মাইরের ওপর কোন ওষুধ নাই।
বরিশালের মানুষকে সাহসী উল্লেখ করে জকসু ভিপি বলেন-আমি জানি বরিশালের মানুষ অনেক সাহসী ও শক্তিশালী তাই আপনারা সাহস নিয়ে দাড়িয়ে থাকবেন তাহলেই হবে।
পথসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী কামরুল ইসলাম খান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, গৌরনদী পৌর আমীর হাফিজুর রহমান, উপজেলা জয়েন্ট সেক্রেটারী রুহুল আমিন সবুজ প্রমূখ।
শেষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলামের নেতৃত্বে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাহিলাড়া বাজারে দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে মিছিল বের করা হয়।