চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) স্বাস্থ্য সম্পাদক আফনান হাসানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে তাকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে এ এফ রহমান হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল- ‘বীর বীর করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’ এবং ‘লীগ গেছে হিন্দুস্তান, শিবির যাবে পাকিস্তান’।
মিছিল শেষে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন বলেন, ‘চাকসু থেকে এদের বিতাড়িত করতে হবে। বাইতুল মাল নামে চাঁদাবাজি করে বেড়ায়। ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজি করতে না পারায় বিভিন্ন জায়গায় তা করছে। যারা এ চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, জনগণের মাধ্যমে প্রকাশ করুন। আর আইনের আওতায় না আনতে পারলে আমরাই তার বিচার করব।’এদিকে, খবর ছড়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে আফনানকে বহিষ্কার করেছে জামায়াতে ইসলামী। যদিও বিষয়টি তাদের এখতিয়ার বহির্ভূত। পরে খবরকে মিথ্যা বলে দাবি করেন মিরসরাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির নুরুল কবির। আর চাকসু সম্পাদকের দাবি, তিনি শিবিরের সঙ্গে জড়িত, জামায়াতের সঙ্গে নয়।এ বিষয়ে চাকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদক আফনান হাসান বলেন, ‘স্থানীয় জামায়াতের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। উনি আমাকে জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো সাংবাদিক যোগাযোগ করেনি। পৌরসভা জামায়াতের একজনের সঙ্গে আমি কিছুক্ষণ আগে বসে ছিলাম। এটার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কোনো প্রেস রিলিজ দেবে কি না বা কী প্রতিক্রিয়া জানাবে, সেটা উনারা জানাবেন। আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার শিবিরের সঙ্গে জড়িত এবং এখানেরই সদস্য। জামায়াতের সঙ্গে আমি কোনোভাবে জড়িত না।’
মিরসরাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির নুরুল কবির বলেন, ‘শিবিরের কাউকে জামায়াত কীভাবে বহিষ্কার করতে পারে? যেটা ছড়িয়েছে, এটা সত্য নয়।’
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) স্বাস্থ্য সম্পাদক আফনান হাসানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে তাকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে এ এফ রহমান হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল- ‘বীর বীর করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’ এবং ‘লীগ গেছে হিন্দুস্তান, শিবির যাবে পাকিস্তান’।
মিছিল শেষে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন বলেন, ‘চাকসু থেকে এদের বিতাড়িত করতে হবে। বাইতুল মাল নামে চাঁদাবাজি করে বেড়ায়। ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজি করতে না পারায় বিভিন্ন জায়গায় তা করছে। যারা এ চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, জনগণের মাধ্যমে প্রকাশ করুন। আর আইনের আওতায় না আনতে পারলে আমরাই তার বিচার করব।’
এদিকে, খবর ছড়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে আফনানকে বহিষ্কার করেছে জামায়াতে ইসলামী। যদিও বিষয়টি তাদের এখতিয়ার বহির্ভূত। পরে খবরকে মিথ্যা বলে দাবি করেন মিরসরাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির নুরুল কবির। আর চাকসু সম্পাদকের দাবি, তিনি শিবিরের সঙ্গে জড়িত, জামায়াতের সঙ্গে নয়।
এ বিষয়ে চাকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদক আফনান হাসান বলেন, ‘স্থানীয় জামায়াতের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। উনি আমাকে জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো সাংবাদিক যোগাযোগ করেনি। পৌরসভা জামায়াতের একজনের সঙ্গে আমি কিছুক্ষণ আগে বসে ছিলাম। এটার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কোনো প্রেস রিলিজ দেবে কি না বা কী প্রতিক্রিয়া জানাবে, সেটা উনারা জানাবেন। আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার শিবিরের সঙ্গে জড়িত এবং এখানেরই সদস্য। জামায়াতের সঙ্গে আমি কোনোভাবে জড়িত না।’
মিরসরাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির নুরুল কবির বলেন, ‘শিবিরের কাউকে জামায়াত কীভাবে বহিষ্কার করতে পারে? যেটা ছড়িয়েছে, এটা সত্য নয়।’
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে গণমাধ্যমে ‘মিরসরাইয়ে বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির অভিযোগ, জামায়াতের দুই নেতাকে বহিষ্কার’ শিরোনামে একটি সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে। তবে মিরসরাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির নুরুল কবিরের দাবি, চাঁদাবাজির অভিযোগে চাকসু স্বাস্থ্য সম্পাদক আফনান হাসানকে বহিষ্কার করা হয়নি।