
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন অঙ্গীভূত আনসার সদস্যের সন্তান ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে পুলিশ ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জন করায় তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এ অর্জনকে বাহিনীর জন্য গৌরবময় ও অনুপ্রেরণাদায়ক হিসেবে উল্লেখ করে সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে যশোর জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নজরুল ইসলামের পুত্র এবং ৪৭তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত এএসপি মো. বাচ্চু রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এ আয়োজনের মাধ্যমে বাহিনী তার অসামান্য কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি সদস্যদের পরিবারে শিক্ষা, মেধা ও দেশসেবার মূল্যবোধ আরও বিকশিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আনসার ও ভিডিপির জেলা কমান্ড্যান্ট ও উপপরিচালক মাজহারুল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি নব্য পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত এএসপি মো. বাচ্চু রহমানের হাতে সম্মাননা স্মারক ও ফুলেল শুভেচ্ছা তুলে দেন।
এ সময় তিনি বলেন, একজন অঙ্গীভূত আনসার সদস্যের সন্তানের এ গৌরবোজ্জ্বল অর্জন শুধু তার পরিবারের নয়, বরং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের জন্যই গর্বের বিষয়। এ ধরনের সাফল্য বাহিনীর সদস্য ও তাদের সন্তানদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করবে এবং দেশসেবায় আত্মনিয়োগে নতুন প্রেরণা জোগাবে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এএসপি মো. বাচ্চু রহমান তার সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের অবদান গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তার বাবা বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন গর্বিত সদস্য। বাবার কঠোর পরিশ্রম, সততা, শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগ তার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। পাশাপাশি পরিবারের অকুণ্ঠ সমর্থন এবং মহান আল্লাহর অশেষ রহমতেই তিনি এ সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
অনুষ্ঠানের শেষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে এএসপি মো. বাচ্চু রহমানের উত্তরোত্তর সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ কর্মময় জীবনের জন্য শুভকামনা জানানো হয়।
বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়, এ অর্জন প্রমাণ করে যে সততা, অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা ও পারিবারিক মূল্যবোধের সমন্বয় তরুণদের জাতীয় নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রীয় সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম করে। একই সঙ্গে এ সাফল্য বাহিনীর সদস্যদের সন্তানসহ দেশের তরুণ প্রজন্মকে উচ্চশিক্ষা, মেধা বিকাশ এবং দেশপ্রেমের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করে দক্ষ, সৎ ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্রসেবক হিসেবে গড়ে উঠতে অনুপ্রাণিত করবে।