আফগানিস্তানের সাথেও হার, খালি হাতেই ফিরছে বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে খালি হাতেই ফিরছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের পর এবার ব্যাটিং ব্যর্থতার খেসারত দিতে হলো আফগানিস্তানের বিপক্ষেও। রশিদ খানদের সাথেও কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি টাইগাররা। ব্যাটে-বলে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে তাওহীদ হৃদয়ের দল।আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ের সাথে হারের পরই ফিঁকে হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের ফাইনাল খেলার আশা। সেই আশা আরো মলিন হয়ে যায় প্রথম ইনিংসের পরই। ব্যাট হাতে ৪১.২ ওভারে মাত্র ১৬০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। যে রান আফগানরা পেরিয়ে গেছে ৩৫.৩ ওভারে ৭ উইকেট হাতে রেখেই।

 

ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে আগামী ২৩ অক্টোবর মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। অন্যদিকে, হতাশার পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্ট শেষ করতে হলো বাংলাদেশকে। ফিরতে হচ্ছে খালি হাতেই।

বুধবার শারজাহতে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারেই পরপর দুই বলে তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকারকে ফিরিয়ে বড় ধাক্কা দেন ইয়ামিন আহমাদজাই। তানজিদ ১ রান করে ফেরেন, সৌম্য ফেরেন গোল্ডেন ডাকে।

এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ২৩ বলে ১৫ রান করে আজমাতউল্লাহ ওমরজাইয়ের শিকার হন। একই বোলারের বলে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরতে হয় তাওহীদ হৃদয়কে। ফলে ২৮ রানেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন সাইফ ও ইমন। শুরুতে ধীরগতিতে খেললেও সময়ের সাথে জুটি জমিয়ে তোলেন দু’জন। এক পর্যায়ে সাইফের বিপক্ষে এলবিডব্লিউয়ের আবেদন নাকচ হলে রিভিউ নিয়েও সফল হয়নি আফগানিস্তান।

পঞ্চম উইকেটে ১৩২ বলে ৯৩ রান যোগ করেন তারা। তবে ফিফটির আক্ষেপ নিয়েই ফিরতে হয় সাইফকে। ৮২ বলে ৪১ রান করে দলীয় ১২১ রানে আউট হন তিনি। এরপর মেহেদী মিরাজও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৭ বলে ২ রান করে ফেরেন তিনি।

ফিরেছেন শরিফুল ইসলামও। ৩৭.৩ ওভারে দলীয় ১৪৭ রানে রশিদ খানের শিকার হন ৭ রান করে। ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে দল। তবে অন্য প্রান্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে ফিফটি তুলে নেন ইমন। শেষ পর্যন্ত ৯৬ বলে ৭০ রান করে থামেন তিনি।৩৯.২ ওভারে ইমন আউট হওয়ার পর আর মাত্র ৪ রান করতে পারে বাংলাদেশ। অভিষিক্ত আলিস আল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান রানের দেখা পাননি। বাংলাদেশ শেষ ৪ উইকেট হারায় ১৩ রানে, আর শেষ ৬ উইকেট হারায় ৩৯ রানের মাঝে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *