
মাদক নির্মূলে জোরালো অভিযান চালিয়ে ব্যাপক সফলতা অর্জন করছে বাংলাদেশ পুলিশ। বিশেষ করে আগৈলঝাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান যোগদানের পর থেকে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে নতুন গতি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। স্থানীয়দের দাবি, বিগত কয়েক দশকের তুলনায় বর্তমানে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের তৎপরতা অনেক বেড়েছে। নিয়মিত অভিযান, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং কঠোর নজরদারির কারণে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
তিনি জানান, আগৈলঝাড়া থানায় যোগদানের পর থেকেই উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বিভিন্ন বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মাদকবিরোধী সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন এলাকায় রাতের পাহারাদার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, যাতে চুরি, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।
ওসি আরও বলেন, সমাজ থেকে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নির্মূলে পুলিশ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এর ফলে আগৈলঝাড়া থানার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করছেন সুশীল সমাজ ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তিনি আরও বলেন, “বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হলে সমাজের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।”
ওসি মাসুদ খান জানান, প্রধানমন্ত্রীও মাদককে সমাজের অন্যতম বড় অভিশাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে পুলিশ বাহিনী আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমি আগৈলঝাড়াকে মাদকমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। জনগণের সহযোগিতা নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের ফলে আগৈলঝাড়ায় মাদক ব্যবসা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সাধারণ মানুষ এখন আরও নিরাপদ ও স্বস্তিপূর্ণ পরিবেশ প্রত্যাশা করছেন