টিকিট কাউন্টারে পড়েছিল যুবদল নেতার নিথর দেহ, মাথার পেছনে ছিদ্র!

মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাকের হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৬টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেসের টিকিট কাউন্টার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সাকের হোসেন মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। তিনি পৌর যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে ‘কাউন্টার মাস্টার’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, বুধবার ভোরে রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে সাকের হোসেনকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের চিহ্ন দেখতে পান চিকিৎসক। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান। তার মাথার র মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।সাকের হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি স্বজন ও স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, আজ (বুধবার) সকালে যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের মতো চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে টার্মিনাল এলাকায় শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে পরে মাগুরা ১ আসনের সংসদ সদস্য আজ মনোয়ার হোসেন খানসহ বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *