সালমান মুক্তাদিরকে মিথ্যাবাদী রাখাল বালক বললেন আবিদুল ইসলাম খান

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরকে ‘মিথ্যাবাদী বালক’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান।আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক ভিডিওতে এ মন্তব্য করেন তিনি।

আবিদুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমাদের এই শহরে এই নগরীতে এক মিথ্যাবাদী রাখাল বালকের আর্বিভাব হয়েছে। যিনি সর্বপ্রথম মিথ্যা কথা বলেছিলেন, একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভাষায়, আগুনকে কেন্দ্র করে। তখন তিনি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে ব্লেইমিং করার চেষ্টা করেছিলেন। পরবর্তীতে পুলিশের তদন্তে সেটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়।’

আবিদ বলেন, ‘তিনি (সালমান মুক্তাদির) দ্বিতীয়বার মিথ্যা বলেছিলেন ধর্ষণের মতো একটি স্পর্শকাতর মামলা নিয়ে। তিনি নিজের মনগড়া মতামত দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। পরবর্তীতে ডিএনএ টেস্টে আবার তিনি মিথ্যাবাদী প্রমাণিত হন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এই নেতা আরও বলেন, ‘সালমান মুক্তাদির তৃতীয়বার মিথ্যা বলেছেন, জামায়াত এবং আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ভূমিদস্যু নেতাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সংঘর্ষকে বিএনপির চাঁদাবাজি হিসেবে ট্যাগ দিয়ে প্রমোশন ভিডিও করার মধ্য দিয়ে। এটাও গোটা জাতির কাছে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

আবিদ বলেন, ‘সেদিন  ইসিবি চত্বরে কী ঘটেছিল? সেখানে দুটি পক্ষ ছিল। একটি পক্ষের নেতা ছিলেন, জামায়াতে রুকন নাজিমউদ্দিন সাহেব। তিনি আওয়ামী লীগের আমলে আওয়ামী লীগের ক্যান্টনমেন্ট থানার সাংগঠনিক সম্পাদক আব্বাস উদ্দিনের সঙ্গে সখ্যতা বৃদ্ধি করে বিভিন্নভাবে অবৈধ সম্পত্তি দখল করেছেন, সম্পত্তি ভাগিয়েছেন। তিনি কে? জামায়াতের রুকন ও নেতা নাজিমউদ্দিন সাহেব। অপরপক্ষে ছিলেন অসবরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মহিউদ্দিন আহমেদ। যিনি যুবলীগ নেতা নিখিলের সাথে সখ্যতা বৃদ্ধি করে তার কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতের নেতা হিসেবেই সকলের কাছে পরিচিত।

তিনি বলেন, ‘তিনি ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম সাহেবের সাথে সখ্যতা বৃদ্ধি করেন এবং প্রভাব খাটান। এই দুই জামায়াত নেতার মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়; মহিউদ্দিন সাহেবের সঙ্গে নাজিমউদ্দিনের। সেই দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটে সেদিন রাতে একটা সশস্ত্র হামলার মধ্য দিয়ে; নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার মধ্য দিয়ে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও সেই হামলার শিকার। সেটার বিচার সবার মতো আমিও চেয়েছি। যে হামলায় জামায়াত ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সংশ্লিষ্টতা আছে। তাদের নাম উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু এই হামলায় বিএনপি নেতাদের ন্যূনতম কিছু সম্পৃক্ততা নেই। কিন্তু সেই রাতে বিএনপির চাঁদাবাজি নামে মিথ্যা ট্যাগিং করেছে সালমান মুক্তাদির।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *