মোঃ মেহেদী হাসান।
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার তারাকুপি গ্রামের ক্যান্সার আক্রান্ত জসিম চাপরাশি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনি। তাঁর অসুস্থতায় পাঁচ সদস্যের পরিবারটি এখন চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে। সংসারে খাবারের অভাব, বাবার চিকিৎসার দুশ্চিন্তা আর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মধ্যে শিশুসন্তান মোহাম্মদ জিহাদের কণ্ঠে উঠে এসেছে হৃদয়স্পর্শী প্রশ্ন—‘ভাত খাইতে পারি না, ইস্কুলে যামু কেমনে?’
রোববার (১১ অক্টোবর) গৌরনদীর কটকস্থল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিশু মোহাম্মদ জিহাদ তরকারি বিক্রি করছে। যে বয়সে বই-খাতা নিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা, সেই বয়সে পরিবারের অভাবের কারণে তাকে তরকারি বিক্রি করতে হচ্ছে। শিশুটির এই বাস্তবতা যেন অসহায় পরিবারের সংকটেরই প্রতিচ্ছবি।
জিহাদের বাবা জসিম চাপরাশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল শেরে বাংলা কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ায় সংসারের আয় বন্ধ হয়ে গেছে। পরিবারের পাঁচ সদস্যের ভরণপোষণ, বাবার চিকিৎসার ব্যয় এবং সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
একদিকে বাবার অসুস্থতা, অন্যদিকে সংসারের অভাব—সব মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি পরিবারটি। জীবিকার তাগিদে শিশু জিহাদকে তরকারি বিক্রি করতে হচ্ছে। তার কণ্ঠের আকুতি—‘ভাত খাইতে পারি না, ইস্কুলে যামু কেমনে?’—শিশুটির অসহায় পরিস্থিতির কথাই তুলে ধরে।
এ অবস্থায় ক্যান্সার আক্রান্ত জসিম চাপরাশির চিকিৎসা এবং তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান, দানশীল ও হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। সম্মিলিত সহায়তা পেলে পরিবারটি কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে এবং শিশু জিহাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পথও সুগম হতে পারে












Leave a Reply