1. banglarbartadaily@gmail.com : admin : Nasir Uddin
  2. abdullahserdar245@gmail.com : Md.Abdullah Al Limon : Md.Abdullah Al Limon
  3. mdsowrovislam652@gmail.com : Md Sowrov Islam : Md Sowrov Islam
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী - Dailybanglarbarta.com        
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে কল করুনঃ ০১৭১৪৩৬৬৯৪৫
ব্রেকিং নিউজঃ
গৌরনদীতে আজকালের কণ্ঠ’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে অধিক দুধ উৎপাদন ও লাভজনক খামার গঠনে কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ইংরেজি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় গৌরনদীর শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, ভোলায় শোকের ছায়া চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার হলেন ডিসি মাসুদ ঢাকা-১৭ আসনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ৫০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন মায়ের আর্তনাদ-“যত টাকা লাগুক আমার ছেলেকে ফেরত চাই” উজিরপুরে দাদি-নাতী হানিফ পরিবহনের চাঁপায় নিহত গৌরনদীতে থইথই পানিতে ডুবছে কৃষকের সোনালি ফসল বরিশাল নগরীতে একদিনের ব্যবধানে দুই স্কুল শিক্ষার্থী নিখোঁজ গৌরনদীতে নারী নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫৩ বার দেখা হয়েছে

দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্য সরকারি সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় জানানো হয়, এ উদ্যোগের আওতায় ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সম্মানী দেওয়া হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাইলট প্রকল্প হিসেবে প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা। প্রতিটি মন্দিরের জন্য বরাদ্দ থাকবে ৮ হাজার টাকা, যার মধ্যে পুরোহিত পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত পাবেন ৩ হাজার টাকা।

এ ছাড়া প্রতিটি বৌদ্ধবিহারের জন্য ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ পাবেন ৩ হাজার টাকা। একইভাবে প্রতিটি খ্রিস্টান গির্জার জন্যও ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে, যেখানে পালক বা যাজক পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী পালক বা যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানান, ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে মসজিদের দায়িত্বপ্রাপ্তদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় বছরে দুইবার এক হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে। অন্যদিকে দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের দুই হাজার টাকা করে উৎসব ভাতা দেওয়া হবে।

তবে যেসব মসজিদ সরকারি বা দেশি-বিদেশি সংস্থার অনুদান পায়, সেগুলো এই সুবিধার আওতার বাইরে থাকবে।

তিনি আরও জানান, চলতি অর্থবছরের মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত এই সম্মানী কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রায় ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে প্রতি অর্থবছরে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। চার বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে এ সুবিধা চালু করা হবে এবং অর্থ সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা হবে।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © বাংলার বার্তা
Theme Customized By bdit.com.bd