1. banglarbartadaily@gmail.com : admin : Nasir Uddin
  2. hawladermdrobiul230@gmail.com : MD Robiul Hawlader : MD Robiul Hawlader
  3. abdullahserdar245@gmail.com : Md.Abdullah Al Limon : Md.Abdullah Al Limon
  4. mdsowrovislam652@gmail.com : Md Sowrov Islam : Md Sowrov Islam
খাগড়াছড়িতে ১৯ দোকানির স্বপ্ন পুড়ে ছাই - Dailybanglarbarta.com        
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে কল করুনঃ ০১৭১৪৩৬৬৯৪৫
ব্রেকিং নিউজঃ
গৌরনদীতে মিথ্যা মামলা ও ষড়যন্ত্র করে মাদ্রাসা বন্ধের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ইতিহাস ও লোককথার অপূর্ব মেলবন্ধন, গৌরনদীর কসবা গ্রামের ‘আল্লাহর মসজিদ উজিরপুর হাসপাতাল অনিয়মের আতুরঘর, রেবিস ভ্যাক্সিন সংকটে চরম ভোগান্তিতে রোগীরা উজিরপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়া স্টেরয়েড বিক্রি নিষিদ্ধ—আইনশৃঙ্খলা সভার কঠোর সিদ্ধান্ত গৌরনদী প্রেসক্লাবের সদস্যদের সাথে পল্লী বিদ্যুতের নতুন ডিজিএম’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে ভেকু দিয়ে খাল পুন:খননে ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন গৌরনদীতে এমইপির গ্রুপের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে মাদক প্রতিরোধে ভূমিকা রাখায় আইন শৃংখলা কমিটির সভায় সম্মননা প্রদান বরিশালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পর শেবাচিমে নারী-পুরুষসহ ৮ দালাল আটক বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদক নির্মূলে অঙ্গীকারবদ্ধ ওসি মাসুদ খান

খাগড়াছড়িতে ১৯ দোকানির স্বপ্ন পুড়ে ছাই

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১০৩ বার দেখা হয়েছে

খাগড়াছড়ির গুইমারায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৯টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (৫ অক্টোবর) রাত পৌনে ২টার দিকে উপজেলার জালিয়াপাড়া বাজারে ইসমাইল মার্কেট এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের অন্ধকারে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তেই তা পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামগড় ও মাটিরাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে পুরো মার্কেটের ১৯টি দোকানই পুড়ে ছাই হয়ে যায়।


দোকান মালিকদের দাবি, আগুনে অন্তত ২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে ছিল তেলের দোকান, মোটর গ্যারেজ, হোটেল, ফার্নিচার, ইলেকট্রনিকস ও মুদি দোকানসহ নানা ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।


তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা নিশ্চিত না হলেও ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ধারণা করছেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে উপজেলা প্রশিক্ষক আল-আমিন তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় হিল ভিডিপি ও ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রুপে বার্তা পাঠান। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ২০-২৫ জন ভিডিপি সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে আগুন নেভানো ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন: সিন্দুকছড়ি সেনা জোন অধিনায়ক, গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আইরিন আক্তার, ও গুইমারা থানার ওসি এনামুল হক চৌধুরী।

এ সময় ইউএনও আইরিন আক্তার ক্ষতিগ্রস্তদের সান্তনা জানিয়ে বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে এবং যথাসম্ভব সহায়তা করা হবে।
এ দিকে ফায়ার সার্ভিস না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটির নেতারা অভিযোগ করেন, গুইমারা উপজেলা সদরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কোনো স্থায়ী কার্যালয় না থাকায় আগুন লাগার পর তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ভয়াবহ রূপ নেয়।

এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, গুইমারাতে যদি ফায়ার সার্ভিসের স্থায়ী অফিস থাকতো, তাহলে আগুন শুরু হবার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেয়া যেত। হয়তো আমাদের এত বড় ক্ষতি হতো না।

পাহাড়ের সাম্প্রতিক উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই অগ্নিকাণ্ডে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © বাংলার বার্তা
Theme Customized By bdit.com.bd