1. banglarbartadaily@gmail.com : admin : Nasir Uddin
  2. hawladermdrobiul230@gmail.com : MD Robiul Hawlader : MD Robiul Hawlader
  3. abdullahserdar245@gmail.com : Md.Abdullah Al Limon : Md.Abdullah Al Limon
  4. mdsowrovislam652@gmail.com : Md Sowrov Islam : Md Sowrov Islam
তালাবন্ধ রুমে দেড় ঘণ্টা আটকে ছিলেন পাইলট - Dailybanglarbarta.com        
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে কল করুনঃ ০১৭১৪৩৬৬৯৪৫
ব্রেকিং নিউজঃ
গৌরনদীতে মিথ্যা মামলা ও ষড়যন্ত্র করে মাদ্রাসা বন্ধের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ইতিহাস ও লোককথার অপূর্ব মেলবন্ধন, গৌরনদীর কসবা গ্রামের ‘আল্লাহর মসজিদ উজিরপুর হাসপাতাল অনিয়মের আতুরঘর, রেবিস ভ্যাক্সিন সংকটে চরম ভোগান্তিতে রোগীরা উজিরপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়া স্টেরয়েড বিক্রি নিষিদ্ধ—আইনশৃঙ্খলা সভার কঠোর সিদ্ধান্ত গৌরনদী প্রেসক্লাবের সদস্যদের সাথে পল্লী বিদ্যুতের নতুন ডিজিএম’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে ভেকু দিয়ে খাল পুন:খননে ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন গৌরনদীতে এমইপির গ্রুপের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে মাদক প্রতিরোধে ভূমিকা রাখায় আইন শৃংখলা কমিটির সভায় সম্মননা প্রদান বরিশালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পর শেবাচিমে নারী-পুরুষসহ ৮ দালাল আটক বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদক নির্মূলে অঙ্গীকারবদ্ধ ওসি মাসুদ খান

তালাবন্ধ রুমে দেড় ঘণ্টা আটকে ছিলেন পাইলট

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০২৫
  • ৬২৪ বার দেখা হয়েছে

বাংলার বার্তা ডেস্কঃ

 

দীর্ঘ প্রশিক্ষণের পর দক্ষ পাইলট হিসেবে আত্মপ্রকাশের অপেক্ষায় ছিলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগর। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—স্বপ্ন পূরণের সেই একক যাত্রাই হয়ে উঠলো তার জীবনের শেষ উড্ডয়ন।

সোমবার দুপুরে ঢাকার উত্তরা এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় স্কুলের বহু শিক্ষার্থী প্রাণ হারায়। সেইসঙ্গে প্রাণ হারান যুদ্ধবিমানের একমাত্র পাইলট তৌকির ইসলাম সাগরও, যাকে প্রথমে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, পরে চিকিৎসার অভাবে মারা যান।

বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর উদ্ধারকর্মীরা। স্কুলের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের অফিস রুম থেকে পরে জীবিত উদ্ধার করা হয় পাইলট তৌকিরকে। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে অফিস করতেন বিভাগের শিক্ষক নাসিরউদ্দিন, যিনি বিবিসি বাংলার কাছে তুলে ধরেছেন সেই বিভীষিকাময় দিনের বিবরণ।

তিনি বলেন, “দুপুরে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনেই রুম থেকে বেরিয়ে আসি। দেখি, ছাদের একটা বড় অংশ ভেঙে পড়েছে আর চারদিকে আগুন। আগুন বাড়তেই থাকে। কিছু শিক্ষার্থী বাঁচার আকুতি জানাচ্ছিল। আমরা গ্রিল ভেঙে ১২–১৩ জন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করি।”

প্রায় আধা ঘণ্টা পর নাসিরউদ্দিন নিজ অফিসে ফিরে গিয়ে দেখেন, তার ডেস্ক চুরমার হয়ে গেছে। হঠাৎ চোখে পড়ে একটি প্যারাসুট ঝুলে আছে। তখনই সন্দেহ জাগে—এখানে কেউ থাকতে পারে। পরে সার্চ করতে গিয়ে ঘরের এক কোণে পাওয়া যায় পাইলট তৌকিরকে, যিনি তখনও জীবিত ছিলেন।

ঘটনার পরপরই উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয় তৌকিরকে। কিন্তু চিকিৎসার জন্য সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া না যাওয়ায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। একটি সম্ভাবনাময় জীবন থেমে যায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই।

তৌকির ইসলাম সাগর ছিলেন নবীন ও প্রতিশ্রুতিশীল একজন পাইলট। তার প্রশিক্ষক এবং সহকর্মীদের মতে, তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও নিবেদিতপ্রাণ। তার এই অকাল মৃত্যুতে শুধু বাংলাদেশ বিমান বাহিনী নয়, পুরো জাতিই হারালো এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকে।

শেয়ার করুন

আরো খবর দেখুন
স্বত্ব © বাংলার বার্তা
Theme Customized By bdit.com.bd